মূল কনটেন্টে যান
BetterSoftZ

আমাদের সম্পর্কে

একটি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান, যা টিকে থাকার জন্য গড়া

যেসব সফটওয়্যার সমস্যা ঠিক করতে আমাদের ডাকা হয়, তার বেশিরভাগের কারণ খারাপ ইঞ্জিনিয়ার নয়। কারণ হলো, কেউ একজন চলে গেছেন।

BetterSoftZ কী ধরনের প্রতিষ্ঠান?

BetterSoftZ ঢাকাভিত্তিক একটি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি। আমরা বাংলাদেশ ও দেশের বাইরের প্রতিষ্ঠানের জন্য কাস্টম বিজনেস সিস্টেম, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ও মোবাইল অ্যাপ তৈরি করি — ডিজাইন, ইঞ্জিনিয়ারিং, টেস্টিং, ক্লাউড ও চলমান সাপোর্টসহ — আর কাজ ডেলিভারি করি বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই।

সম্পন্ন প্রোডাক্ট
200+
বছরের অভিজ্ঞতা
10+
গড় ক্লায়েন্ট রেটিং
4.9
ডেলিভারির ভাষা
2

আমরা কেন আছি।

এই বাজারে একটি ঘটনা বারবার ঘটে। কোনো কোম্পানি একটি সিস্টেম বানায়, সেটি তৈরি হয়, তারপর যাঁরা সিস্টেমটি বুঝতেন তাঁরা চলে যান। কিছুই ডকুমেন্ট করা থাকে না। হোস্টিং অ্যাকাউন্টটি এমন কারও নামে, যিনি আর নেই। এক বছর পর দেখা যায়, ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ কাজ চলছে এমন সফটওয়্যারে যা নিরাপদে বদলানোর মতো কেউ নেই।

আমরা এই প্রতিষ্ঠান গড়েছি ঠিক উল্টো ধারণা থেকে — আমাদের বদলে অন্য কাউকে নিতে চাইলে তাতে আপনার কোনো ক্ষতি হওয়া উচিত নয়। প্রথম কমিট থেকেই কোড থাকে আপনার রিপোজিটরিতে, ইনফ্রাস্ট্রাকচার চলে আপনার অ্যাকাউন্টে, আর ডকুমেন্টেশন লেখা হয় এমন ইঞ্জিনিয়ারের জন্য যিনি আমাদের কখনো দেখেননি।

বাস্তবে ক্লায়েন্টরা থেকেই যান। তবে থাকেন কারণ চালিয়ে যাওয়াটাই ভালো বিকল্প, ছেড়ে যাওয়া ব্যয়বহুল বলে নয়।

আমরা যেভাবে কাজ করি, সোজা কথায়।

এগুলো দেয়ালে টাঙানো মূল্যবোধ নয় — কাজ চলাকালীন এই প্রতিশ্রুতিগুলোর জন্য আপনি আমাদের জবাবদিহি চাইতে পারেন।

যা সত্যিই মনে করি, তা-ই বলি।

কাস্টম সফটওয়্যারের চেয়ে কোনো রেডিমেড প্যাকেজ যদি আপনার জন্য ভালো হয়, কিংবা সৎ উত্তরটা যদি হয় অটোমেশনের আগে প্রক্রিয়াটাই ঠিক করা দরকার — আপনি সেটাই শুনবেন, তাতে কাজটা হাতছাড়া হলেও।

কিছুই আটকে রাখি না।

কোড থাকে আপনার রিপোজিটরিতে, ইনফ্রাস্ট্রাকচার আপনার অ্যাকাউন্টে, আর ডকুমেন্টেশন লেখা হয় এমন ইঞ্জিনিয়ারের জন্য যিনি আমাদের কখনো দেখেননি। ক্লায়েন্ট থাকবেন কাজ ভালো বলে, ছেড়ে যাওয়া ব্যয়বহুল বলে নয়।

যাঁরা স্কোপ করেন, তাঁরাই তৈরি করেন।

চুক্তি সইয়ের পর জুনিয়র টিমের হাতে কাজ তুলে দেওয়া হয় না। ডিসকভারিতে যে ইঞ্জিনিয়াররা থাকেন, কোডও তাঁরাই লেখেন, আর টিমে কোনো পরিবর্তন হলে আগেই আপনার সাথে আলোচনা করা হয়।

অগ্রগতি দেখাই, যা আপনি নিজে যাচাই করতে পারেন।

প্রতি দুই সপ্তাহে স্টেজিং লিংকে কার্যকর সফটওয়্যার। অগ্রগতি মানে যা আপনি খুলে ব্যবহার করে দেখতে পারেন, স্ট্যাটাস রিপোর্টের কোনো শতাংশ নয়।

এ দেশের বাস্তবতার জন্য তৈরি।

মাঝারি মানের অ্যান্ড্রয়েড ফোন, শেয়ার করা লগইন, দুর্বল নেটওয়ার্ক, বাংলা ইন্টারফেস আর স্থানীয় পেমেন্ট ব্যবস্থা — এগুলো শুরু থেকেই ডিজাইনের অংশ, ইউজার টেস্টিংয়ের সময় আবিষ্কার করা সমস্যা নয়।

গো-লাইভের পরেও পাশে থাকি।

বেশিরভাগ সিস্টেমে সবচেয়ে বেশি মনোযোগ লাগে লঞ্চের পরের তিন মাসে, যখন বাস্তব ব্যবহারে এমন বিষয় সামনে আসে যা টেস্টিংয়ে ধরা পড়েনি। ঠিক তখনই ভেন্ডর উধাও হয়ে গেলে ক্ষতিটা সবচেয়ে বেশি হয়।

যা আমরা করি না।

  • ফির বদলে শেয়ার নেওয়া — তাতে আমরা খারাপ পরামর্শদাতা হয়ে যাব
  • প্রক্রিয়া বোঝার আগেই ডেভেলপমেন্টের দাম বলে দেওয়া
  • সিনিয়র দেখিয়ে কাজ নিয়ে প্রজেক্টে জুনিয়র বসানো
  • আপনার হোস্টিং, ডোমেইন বা অ্যাপ স্টোর অ্যাকাউন্ট নিজেদের কাছে রাখা
  • হিসাব না দেখিয়ে নতুন করে তৈরির পরামর্শ দেওয়া
  • যে খাতে আমাদের অভিজ্ঞতা নেই, আপনার বাজেটে সেখানে শেখার জন্য কাজ নেওয়া

আমাদের সম্পর্কে

সাধারণ প্রশ্ন

আপনাদের অফিস কোথায়?

ঢাকা, বাংলাদেশ। এখান থেকেই টিম সারা দেশ ও দেশের বাইরের ক্লায়েন্টদের জন্য কাজ করে, বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই।

কত বড় প্রজেক্ট আপনারা নেন?

একটি বিভাগের জন্য একটি নির্দিষ্ট সিস্টেম থেকে শুরু করে একাধিক মডিউলের প্ল্যাটফর্ম ও দীর্ঘমেয়াদি ডেডিকেটেড টিম পর্যন্ত। আকারের চেয়ে বড় কথা হলো সমস্যাটিতে আমরা সত্যিই সাহায্য করতে পারি কি না — যে কাজ আমাদের পরিসরের বাইরে, তা আমরা ফিরিয়ে দিই।

দেশের বাইরের ক্লায়েন্টদের সাথে কি কাজ করেন?

হ্যাঁ। বাংলাদেশ সময় মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার সাথে পুরো কর্মদিবস, আর ইউরোপের সাথে সকালবেলা মিলে যায়। উত্তর আমেরিকার ক্লায়েন্টদের সাথে পুরো দিন মিলে যাওয়ার ভান না করে আমরা একটি নির্দিষ্ট ওভারল্যাপ সময় ঠিক করে নিই।

চুক্তির আগে কি টিমের সাথে দেখা করা যায়?

হ্যাঁ, এবং সেটাই করা উচিত। কিছু সই করার আগে আপনি কথা বলবেন সেই ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে যাঁরা কাজটি করবেন, শুধু কোনো অ্যাকাউন্ট ম্যানেজারের সাথে নয়।

কথা বলুন তাঁদের সাথে, যাঁরা কাজটি করবেন।

মাঝখানে কোনো অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার নেই। সমস্যাটি বলুন, একজন ইঞ্জিনিয়ার জানাবেন এতে কী কী লাগবে।