রেকর্ড দেখাও লগ করার মতো একটি ঘটনা
ক্লিনিক্যাল সিস্টেমে কে রেকর্ড বদলেছে তা যতটা গুরুত্বপূর্ণ, কে রেকর্ডটি দেখেছে তাও ততটাই। অ্যাক্সেস লগিং শুরু থেকেই তৈরি করতে হয়, কারণ পরে যোগ করতে গেলে প্রতিটি ডেটা পাথ নতুন করে লিখতে হয়।
ইন্ডাস্ট্রি
ক্লিনিক্যাল ও প্রশাসনিক সিস্টেম, যেখানে প্রতিটি রেকর্ড দেখার ঘটনা লগ হয়, আর কাজের ধারা মেলে বিভাগটি বাস্তবে যেভাবে চলে তার সাথে।
হেলথকেয়ার সফটওয়্যারে থাকে রোগীর রেকর্ড, অ্যাপয়েন্টমেন্ট, ডায়াগনস্টিক ওয়ার্কফ্লো, ফার্মেসি ও বিলিং। BetterSoftZ বাংলাদেশের হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের জন্য এই সিস্টেমগুলো তৈরি করে — রোল-ভিত্তিক অ্যাক্সেস, রোগীর রেকর্ডে পূর্ণাঙ্গ অ্যাক্সেস লগিং, এবং ব্যস্ত আউটডোর শিফটে দ্রুত কাজ করা কর্মীদের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা ইন্টারফেসসহ।
ক্লিনিক্যাল সিস্টেমে কে রেকর্ড বদলেছে তা যতটা গুরুত্বপূর্ণ, কে রেকর্ডটি দেখেছে তাও ততটাই। অ্যাক্সেস লগিং শুরু থেকেই তৈরি করতে হয়, কারণ পরে যোগ করতে গেলে প্রতিটি ডেটা পাথ নতুন করে লিখতে হয়।
সকালের ভিড়ে আউটডোর ডেস্কে সাত ঘরের একটি ফর্ম পূরণের সময় নেই। প্রতিটি স্ক্রিন ডিজাইন করা হয় সেই মুহূর্তে আসলে যে দুই-তিনটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে তাকে ঘিরে, বাকি সব পরে।
রোগীরা আসেন কোনো রেকর্ড ছাড়া, আত্মীয়ের ফোন নম্বর নিয়ে, কিংবা এমন নামে যার বানান তিনভাবে লেখা হয়েছে। তাই একটি পরিষ্কার ইউনিক আইডি ধরে না নিয়ে, রেকর্ড মেলানো ও একীভূত করার নিয়ম ভেবেচিন্তে ডিজাইন করতে হয়।
কাউন্টারে দেওয়া টেস্টের অর্ডার ল্যাবে সম্পন্ন হয়, আর রিপোর্ট দেখেন অন্য জায়গায় বসা ডাক্তার। এই হাতবদলের জায়গাতেই ফলাফল হারিয়ে যায়, তাই সিস্টেমের কাজ হলো প্রতিটি অর্ডারের অবস্থা সবার কাছে দৃশ্যমান রাখা।
হাসপাতালের সফটওয়্যার ব্যর্থ হয় যখন তা প্রতিষ্ঠানের অর্গানোগ্রাম দেখে ডিজাইন করা হয়। রেজিস্ট্রেশন কাউন্টার, স্যাম্পল কালেকশন রুম, ল্যাব আর ডাক্তারের চেম্বার — প্রতিটির নিজস্ব গতি আছে, আর “কাজ শেষ” বলতে প্রতিটি আলাদা জিনিস বোঝায়। আমরা এগুলো আলাদা করে ম্যাপ করি এবং প্রতিটি স্ক্রিন ডিজাইন করি সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটির জন্য, যার মানে সাধারণত মূল স্পেসিফিকেশনে যা ধরা হয়েছিল তার চেয়ে কম ঘর আর বেশি স্পষ্ট অবস্থা।
রোল-ভিত্তিক অ্যাক্সেস, যা বিভাগ অনুযায়ী এবং প্রয়োজনে চিকিৎসা-সম্পর্ক অনুযায়ী সীমিত। রোগীর রেকর্ডে প্রতিটি দেখা ও পরিবর্তন লগ হয় ব্যবহারকারী, সময় ও উৎসসহ। জরুরি অবস্থায় ওভাররাইডের ব্যবস্থা থাকে, কারণ ক্লিনিক্যালি তা থাকতেই হবে — তবে তা স্পষ্টভাবে রেকর্ড হয় এবং পর্যালোচনা করা হয়, নীরবে অনুমতি দেওয়া হয় না।
ক্লিনিক্যাল পরিবেশে ব্যর্থ কাটওভারের ধাক্কা সামলানো যায় না। তাই সিস্টেম চালু হয় বিভাগ ধরে ধরে, পাশাপাশি পুরনো প্রক্রিয়াও চলতে থাকে। আগের বিভাগটি তার সবচেয়ে ব্যস্ত দিনসহ পুরো এক সপ্তাহ স্থিতিশীলভাবে না চলা পর্যন্ত পরের বিভাগে যাওয়া হয় না।
টেমপ্লেট নয় — আপনার নিজস্ব প্রক্রিয়া অনুযায়ী তৈরি সিস্টেম।
বিস্তারিত পড়ুন about কাস্টম সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টঅ্যান্ড্রয়েড-ফার্স্ট অ্যাপ, বাংলাদেশের নেটওয়ার্ক ও ডিভাইসের জন্য।
বিস্তারিত পড়ুন about মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্টরিসার্চ, ফ্লো ও ইন্টারফেস — যা সাপোর্টের চাপ কমায়।
বিস্তারিত পড়ুন about ইউআই/ইউএক্স ডিজাইনHIPAA যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিধান, বাংলাদেশে এটি প্রযোজ্য নয়, যদিও এর নিয়ন্ত্রণগুলো একটি ভালো রেফারেন্স। দেশে যা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো রোগীর তথ্যের গোপনীয়তা, সুশৃঙ্খল অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ ও তথ্য সংরক্ষণ — আর যেখানে বিদেশি রোগী বা পার্টনার এটি চান, সেখানে HIPAA-ধাঁচের চর্চা।
অনেক ক্ষেত্রেই হ্যাঁ, তবে তা অ্যানালাইজারের ওপর নির্ভর করে। অনেক মেশিন স্ট্যান্ডার্ড ফরম্যাটে ফলাফল দেয়, যা হাতে টাইপ না করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নেওয়া যায় — এতে লিখে তোলার একটি সাধারণ ভুলের উৎস দূর হয়। ডিসকভারির সময় আমরা নির্দিষ্ট মেশিনগুলো যাচাই করি।
হ্যাঁ, রোগীর অ্যাপের মাধ্যমে অথবা এসএমএসে পাঠানো একটি সুরক্ষিত লিংকের মাধ্যমে, যেখানে অ্যাক্সেস যুক্ত থাকে রোগীর সাথে, লিংক যার হাতে আছে তার সাথে নয়। কোন পদ্ধতিতে পাঠানো হবে তা আপনার টিমের সাথে মিলে ঠিক করা হয়, কারণ এটি সরাসরি কাউন্টারের কাজের চাপকে প্রভাবিত করে।
সুনির্দিষ্ট মেলানোর নিয়ম আর তত্ত্বাবধানে একীভূত করার প্রক্রিয়া দিয়ে। ডুপ্লিকেট রেকর্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে একীভূত না করে একজন মানুষের সিদ্ধান্তের জন্য সামনে আনা হয়, কারণ ক্লিনিক্যাল সিস্টেমে ভুলভাবে দুটি রেকর্ড মিলিয়ে ফেলা একটি ডুপ্লিকেটের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতিকর।
আপনার প্রতিষ্ঠানের নিয়ম ও বাস্তবতা আলাদা হলে সেটিই আলোচনার শুরু।