সার্ভিস
ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট
ব্রাউজারভিত্তিক যেসব সিস্টেমে আপনার কর্মী, ডিলার ও গ্রাহক প্রতিদিন লগইন করেন: পোর্টাল, ড্যাশবোর্ড, ব্যাক অফিস এবং সেগুলোকে যুক্ত রাখা ওয়ার্কফ্লো।
ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন কী?
ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট মানে এমন সফটওয়্যার তৈরি করা যা কম্পিউটারে ইনস্টল না করে ব্রাউজারেই চলে। BetterSoftZ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানের জন্য পোর্টাল, ড্যাশবোর্ড, অ্যাডমিন ব্যাক অফিস ও গ্রাহকমুখী প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে — একাধিক শাখা ও রোলের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা, কর্মীদের আসল সংযোগ ও ডিভাইসে টেস্ট করা, এবং লঞ্চের পরও সাপোর্টসহ।
আপনি যা পাবেন
- হেড অফিস ও শাখাগুলো একই লাইভ ডেটা থেকে কাজ করে
- রোলভিত্তিক অ্যাক্সেস — যার কাজে যতটুকু দরকার, সে ততটুকুই দেখে
- রিপোর্ট হাতে জোড়া দিতে হয় না, সিস্টেম থেকেই তৈরি হয়
- চারটি বিচ্ছিন্ন টুলের বদলে কর্মীদের জন্য একটি লগইন
- শুধু অফিসের ফাইবারে নয়, দুর্বল মোবাইল সংযোগেও পেজ লোড হয়
ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন বলতে আমরা কী বুঝি
একটি ব্রোশিওর ওয়েবসাইট তথ্য দেখায়। একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন কাজ করে: রেকর্ড রাখে, কে তা বদলাতে পারবে তা নিয়ন্ত্রণ করে, অনুমোদনের ধাপে ধাপে কাজ এগিয়ে নেয়, এবং এমন সংখ্যা তৈরি করে যাতে কাউকে সই করতে হয়। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানের বেশিরভাগ প্রয়োজনই পড়ে এই দ্বিতীয় শ্রেণিতে।
যেখানে এই সিস্টেমগুলো সাধারণত নিজের খরচ তুলে আনে
| অ্যাপ্লিকেশন | যার জায়গা নেয় | মাপা যায় এমন পরিবর্তন |
|---|---|---|
| শাখা অপারেশনস পোর্টাল | প্রতি শাখার আলাদা স্প্রেডশিট | হেড অফিস গত সপ্তাহের নয়, আজকের চিত্র দেখে |
| ডিলার বা ডিস্ট্রিবিউটর পোর্টাল | ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে অর্ডার নেওয়া | অর্ডার আসে গোছানো অবস্থায়, সঠিক দামে |
| ইন্টারনাল অ্যাডমিন ব্যাক অফিস | একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তির সরাসরি ডেটাবেস এডিট | প্রতিটি পরিবর্তন কার করা তা জানা যায়, ফেরানোও যায় |
| অনুমোদন ওয়ার্কফ্লো | কাগজের ফাইল ও সইয়ের পেছনে দৌড়ানো | অনুমোদন হয় ঘণ্টায়, দিনে নয় |
| কাস্টমার সেলফ-সার্ভিস | স্ট্যাটাস জানতে সাপোর্টে কল | কলের সংখ্যা কমে, কর্মীর সময় বাঁচে |
| রিপোর্টিং ড্যাশবোর্ড | মাস শেষে স্প্রেডশিট জোড়া দেওয়া | চাওয়ামাত্র রিপোর্ট, মূল উৎসের সাথে মেলানো |
আমরা কীভাবে তৈরি করি
কাজ চলে দুই সপ্তাহের স্প্রিন্টে, এমন একটি স্টেজিং এনভায়রনমেন্টে যা আপনি যেকোনো সময় খুলে দেখতে পারেন। প্রতিটি স্প্রিন্ট শেষ হয় ব্যবহারযোগ্য কিছু দিয়ে, অগ্রগতির শতাংশ দিয়ে নয়। মার্জের আগে কোড রিভিউ হয়, জরুরি পথগুলোতে অটোমেটেড টেস্ট থাকে, এবং প্রথম দিন থেকেই একই পাইপলাইন স্টেজিং ও প্রোডাকশনে ডিপ্লয় করে — ফলে রিলিজের দিনটি আলাদা কোনো ঘটনা নয়, নিয়মিত কাজ।
প্রথম স্ক্রিন তৈরির আগেই পারমিশন মডেল ঠিক করা হয়। তৈরি হয়ে যাওয়া অ্যাপ্লিকেশনে পরে রোল মডেল জুড়ে দেওয়া এ ধরনের কাজের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ভুলগুলোর একটি, এবং প্রায় সবসময়ই তা এড়ানো যায়।
সিস্টেম আসলে যেভাবে ব্যবহার হবে, সেভাবেই তৈরি
- শুরু থেকেই একাধিক শাখা। শাখা, অঞ্চল ও রোল অনুযায়ী ডেটা ভাগ করা থাকে স্কিমাতেই — দ্বিতীয় অফিস খোলার পর জোড়াতালি দিয়ে নয়।
- শেয়ার করা ডিভাইস। সেশন যুক্তিসংগত সময়ে টাইমআউট হয়, আর একই জায়গা থেকে কয়েকজন লগইন করলেও প্রতিটি কাজ কে করেছে তা জানা যায়।
- দুর্বল সংযোগ। পেলোডের আকার হিসাব করে রাখা হয়; লম্বা তালিকা পেজে পেজে ভাগ হয়; সংযোগ কেটে গেলেও ফর্ম টিকে থাকে, এক ঘণ্টার টাইপ করা তথ্য হারায় না।
- যেখানে দরকার সেখানে বাংলা। ইন্টারফেসের ভাষা, বাংলা সংখ্যা ও সঠিক তারিখের ফরম্যাট প্রথম সারির চাহিদা হিসেবেই সামলানো হয়।
প্রতিটি এনগেজমেন্টে যা থাকে
- তৈরির আগেই রোল ও পারমিশন মডেল চূড়ান্ত
- কম দামের অ্যান্ড্রয়েড ও ডেস্কটপে টেস্ট করা রেসপন্সিভ ইন্টারফেস
- গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি রেকর্ডে অডিট লগ
- জরুরি পথগুলো কভার করা অটোমেটেড টেস্ট স্যুট
- আপনার অ্যাকাউন্টে ডিপ্লয়মেন্ট পাইপলাইন ও স্টেজিং এনভায়রনমেন্ট
- হস্তান্তরের ডকুমেন্টেশন ও অ্যাডমিন প্রশিক্ষণ
যে টুল দিয়ে কাজ করি
- Laravel
- Node.js
- React
- Next.js
- TypeScript
- PostgreSQL
- Redis
- AWS
যেসব খাতে এই সার্ভিস
সাধারণ জিজ্ঞাসা
একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে কত সময় লাগে?
একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক প্রথম ভার্সন কাজ শুরুর পর সাধারণত তিন থেকে চার মাসে বাস্তব ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছায়, আর প্রথম স্প্রিন্ট থেকেই একটি কার্যকর স্টেজিং লিংক থাকে। একাধিক মডিউলের বড় প্ল্যাটফর্মে বেশি সময় লাগে, তাই সেগুলো আমরা কয়েকটি রিলিজে ভাগ করি, যাতে পুরো কাজ শেষ হওয়ার আগেই সুফল আসতে শুরু করে।
ঢাকার বাইরে ধীর ইন্টারনেটে কি এটি চলবে?
এটি ডিজাইনের শর্ত, পরে ভাবার বিষয় নয়। পেজগুলো দুর্বল মোবাইল সংযোগে লোড হওয়ার মতো করে বানানো হয়, ভারী স্ক্রিন সব ডেটা একবারে না এনে পেজে পেজে দেখায়, আর এন্ট্রির মাঝপথে সংযোগ কেটে গেলেও ফর্মের তথ্য হারায় না।
ডেস্কটপের পাশাপাশি ফোনেও কি চলবে?
হ্যাঁ। প্রতিটি ইন্টারফেস রেসপন্সিভ, আর মাঠকর্মীরা যেসব স্ক্রিন সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করেন সেগুলো মোবাইল-ফার্স্ট ডিজাইন করা। কোনো কাজে সত্যিই অফলাইন এন্ট্রি বা ডিভাইসের হার্ডওয়্যার লাগলে নেটিভ অ্যাপই ভালো সমাধান, এবং আমরা সেটা সরাসরিই বলব।
আমাদের বর্তমান সিস্টেমগুলোর সাথে কি যুক্ত করা যাবে?
হ্যাঁ — অ্যাকাউন্টিং প্যাকেজ, এইচআর সিস্টেম, পেমেন্ট গেটওয়ে, কুরিয়ার এপিআই ও সরকারি পোর্টাল। যে সিস্টেমের এপিআই নেই, সেখানে নির্ধারিত সময়ে ফাইল আদান-প্রদান বা সম্মত নিয়মে ডেটাবেস-স্তরের সংযোগের মাধ্যমে ইন্টিগ্রেট করি।
আপনার প্রজেক্ট নিয়ে কথা বলি।
সমস্যাটি সহজ ভাষায় বলুন। কী লাগবে ও আনুমানিক খরচ কত, আমরা জানিয়ে দেব।