সার্ভিস
কাস্টম সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট
আপনার ব্যবসা যেভাবে চলে, সেভাবেই তৈরি সিস্টেম — যা আজ প্রক্রিয়াটিকে ধরে রাখা স্প্রেডশিট, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ আর হাতে লেখা রেজিস্টারের জায়গা নেয়।
কাস্টম সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কী?
কাস্টম সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট মানে তৈরি সফটওয়্যারের সাথে নিজের প্রক্রিয়া মানিয়ে নেওয়ার বদলে একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রক্রিয়ার জন্যই সিস্টেম তৈরি করা। BetterSoftZ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানের জন্য এমন সিস্টেম তৈরি করে — ডিসকভারি, ডিজাইন, ইঞ্জিনিয়ারিং, ডেটা মাইগ্রেশন, কর্মী প্রশিক্ষণ ও চলমান সাপোর্টসহ — এবং প্রথম কমিট থেকেই সোর্স কোডের মালিক ক্লায়েন্ট।
আপনি যা পাবেন
- ছয়টি বিচ্ছিন্ন স্প্রেডশিটের বদলে একটিমাত্র নির্ভরযোগ্য রেকর্ড সিস্টেম
- যে কাজে আগে তিনজন লাগত, এখন লাগে একটি অনুমোদন ক্লিক
- লেজারের সাথে মেলে এমন রিপোর্ট, যেদিন চাওয়া হয় সেদিনই
- নিয়ম মানা নিশ্চিত করে সফটওয়্যার, কারও মনে থাকার উপর নির্ভর করে না
- এমন সিস্টেম যা আপনার নিজের টিমও বাড়াতে পারে, কারণ কোডের মালিক আপনি
কাস্টম সফটওয়্যার আসলে কোন সমস্যার সমাধান করে
বাংলাদেশের বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যারের অভাব নেই। তাদের একটি অ্যাকাউন্টিং প্যাকেজ আছে, ফাইন্যান্স টিমের আগলে রাখা একটি স্প্রেডশিট আছে, অনুমোদনের জন্য একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ আছে, আর গেটে একটি রেজিস্টার আছে যা পরে কেউ টাইপ করে তোলে। প্রতিটি অংশ আলাদাভাবে কাজ করে। খরচটা লুকিয়ে থাকে এগুলোর মাঝের ফাঁকে: একই ডেটা তিনবার এন্ট্রি, মাস শেষের হিসাব মেলাতে এগারো দিন, আর রিপোর্টে এমন একটি সংখ্যা যা কোন লেনদেন থেকে এসেছে কেউ খুঁজে বের করতে পারে না।
কাস্টম সফটওয়্যার বানানো তখনই লাভজনক, যখন আলাদা আলাদা কাজ নয় — বরং এই ফাঁকগুলোই ব্যবসার গতি কমিয়ে দিচ্ছে।
আমরা কীভাবে কাজের পরিসর ঠিক করি
তৈরির কাজের কোনো চুক্তি সইয়ের আগেই পরিসর নির্ধারণ হয়, কারণ যে সিস্টেমের ম্যাপ করা হয়নি, তার দাম আমরা কেউই ঠিক করতে পারি না।
- যাঁরা কাজটি করেন, তাঁদের পাশে বসা। বিভাগীয় প্রধান প্রক্রিয়াটি কেমন বলেন তা নয় — বরং ডেস্কে বসে যিনি আসলে কাজটি চালান, তাঁর সাথে, কাজ সচল রাখা অলিখিত বিকল্প পথগুলোসহ।
- শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো প্রবাহের ম্যাপ করা — সিস্টেম, ফর্ম, অনুমোদন ও হাতবদল চিহ্নিত করে, এবং যেসব জায়গায় ডেটা আবার এন্ট্রি হয় সেগুলো আলাদা করে দেখিয়ে।
- প্রথম দিন থেকে যা থাকতেই হবে, আর যা পরে এলেও চলে — তা আলাদা করা। সাধারণত চাওয়া ফিচারগুলোর এক-তৃতীয়াংশেই বেশিরভাগ মূল্য থাকে।
- একটি খরচের পরিসর লিখে দেওয়া — কোন অনুমানের উপর তা দাঁড়িয়ে, আর কী হলে খরচ উপরের দিকে যাবে, সেসহ।
আমাদের সাথে তৈরি করুন বা না করুন, ম্যাপটি আপনার কাছেই থাকে।
আমরা সবচেয়ে বেশি যা তৈরি করি
| সিস্টেম | যার জায়গা নেয় | সাধারণত যারা ব্যবহার করে |
|---|---|---|
| ইন্টারনাল অপারেশনস পোর্টাল | শেয়ার করা স্প্রেডশিট ও ইমেইলে অনুমোদন | ম্যানুফ্যাকচারিং, ডিস্ট্রিবিউশন, সার্ভিস |
| কাস্টমার বা ডিলার পোর্টাল | ফোনে অর্ডার ও স্ট্যাটাস জানতে বারবার কল | ডিস্ট্রিবিউশন, এফএমসিজি, ফার্মা |
| ইনভেন্টরি ও প্রকিউরমেন্ট | হাতে লেখা রেজিস্টার ও আন্দাজে রি-অর্ডার | রিটেইল, রেস্টুরেন্ট, ডিস্ট্রিবিউশন |
| অনুমোদন ও ওয়ার্কফ্লো সিস্টেম | হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ও কাগজের ফাইল | পেশাদার প্রতিষ্ঠান, স্কুল, সমিতি |
| রিপোর্টিং ও অ্যানালিটিক্স লেয়ার | মাস শেষে স্প্রেডশিট জোড়া দেওয়া | একাধিক শাখার যেকোনো ব্যবসা |
| ইন্টিগ্রেশন মিডলওয়্যার | দুই সিস্টেমের মধ্যে বারবার ডেটা এন্ট্রি | প্যাকেজের পাশাপাশি কাস্টম টুল চালানো প্রতিষ্ঠান |
বাংলাদেশের বাস্তবতায় তৈরি
যে সিস্টেম গুলশানের হেড অফিসে চলে কিন্তু গাজীপুরের কারখানায় অচল, সেটা সম্পূর্ণ নয়। বাস্তবে এর মানে:
- অনিয়মিত ইন্টারনেট সংযোগ। ডেটা এন্ট্রির স্ক্রিন তথ্য ডিভাইসেই জমিয়ে রাখে এবং সংযোগ ফিরলে সিঙ্ক করে — পুরো সকালের কাজ হারিয়ে যায় না।
- মাঝারি মানের অ্যান্ড্রয়েড। ইন্টারফেস টেস্ট করা হয় কর্মীরা আসলে যে ফোন ব্যবহার করেন তাতে, অফিসের সবচেয়ে নতুন ফোনে নয়।
- শেয়ার করা ডিভাইস ও শিফট বদল। সেশন, অডিট ট্রেইল ও পারমিশন ধরে নেয় যে একটি ডিভাইস অনেকে ব্যবহার করেন।
- ইন্টারফেসে বাংলা। বাংলা সংখ্যা, সঠিক তারিখের ফরম্যাট, এবং এমন লেবেল যা ইংরেজি না পড়া ব্যবহারকারীও বুঝতে পারেন।
- দেশীয় পেমেন্ট ও সার্ভিস। বিকাশ, নগদ, এসএসএলকমার্জ, কুরিয়ার এপিআই ও এনআইডি যাচাই প্রথম সারির ইন্টিগ্রেশন হিসেবে ধরা হয় — ব্যর্থতা ও হিসাব মেলানোর পথ আগেই ডিজাইন করা থাকে, পরে আবিষ্কার হয় না।
ইন্টিগ্রেশন ও প্রযুক্তি, নাম ধরে
| ক্ষেত্র | যেগুলোর সাথে আমরা কাজ করি |
|---|---|
| পেমেন্ট | বিকাশ, নগদ, উপায়, SSLCOMMERZ, aamarPay, ShurjoPay |
| কুরিয়ার | Pathao Courier, Steadfast, RedX |
| পরিচয় যাচাই | এনআইডি ভেরিফিকেশন |
| কর | এনবিআর ভ্যাট হিসাব, চালান ও বিধিবদ্ধ রিপোর্ট |
| স্কুল | eSIF রেজিস্ট্রেশন যাচাই ও বার্ষিক BANBEIS রিটার্ন |
| ব্যাক এন্ড | Laravel, Node.js, NestJS, .NET, Python, Go |
| ফ্রন্ট এন্ড | React, Next.js, Astro, Vue, TypeScript |
| মোবাইল | Flutter, React Native, Kotlin, Swift |
| ডেটা | PostgreSQL, MySQL, MongoDB, Redis, ClickHouse |
| ক্লাউড | AWS, Cloudflare, Docker, Kubernetes, Terraform |
একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক প্রথম ভার্সন সাধারণত তিন থেকে চার মাসে বাস্তব ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছায়, আর প্রতি দুই সপ্তাহে স্টেজিং লিংকে কার্যকর সফটওয়্যার থাকে। বর্তমানে আমাদের চালানো দুটি সিস্টেম পরিসরটা দেখায়: নর্দার্ন ম্যারাথন ২০২৬ রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম (React, Fastify, PostgreSQL, Redis ও SSLCOMMERZ, ওয়েটিং রুম ও অফলাইন চেক-ইনসহ), এবং AutoRoutine (Laravel, React ও Expo), যা ৪,৫০০-এর বেশি শিক্ষার্থীর একটি স্কুল ও কলেজে প্রতিদিন প্রায় ৫৫৩টি ক্লাস পিরিয়ডের রুটিন বানায়।
এখানে মালিকানা বলতে কী বোঝায়
সোর্স কোড, ডেটা ও ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যাকাউন্টের মালিক ক্লায়েন্ট। প্রথম স্প্রিন্ট থেকেই কোড আপনার প্রতিষ্ঠানের রিপোজিটরিতে পুশ করা হয় — শেষে একটি জিপ ফাইল হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয় না। আপনি যদি নিজের AWS, Vultr বা অন-প্রিমিস এনভায়রনমেন্টে চালাতে চান, ডিপ্লয়মেন্ট সেখানেই সেট করা হয়। ডকুমেন্টেশন এমনভাবে লেখা হয় যাতে অন্য একটি ইঞ্জিনিয়ারিং টিমও সিস্টেমটি হাতে নিতে পারে — কারণ একদিন হয়তো ঠিক সেটাই আপনার প্রয়োজন হবে।
প্রতিটি এনগেজমেন্টে যা থাকে
- ডিসকভারি ওয়ার্কশপ ও লিখিত প্রসেস ম্যাপ
- ইঞ্জিনিয়ারিং শুরুর আগেই ক্লিকযোগ্য প্রোটোটাইপ
- প্রতি দুই সপ্তাহে স্টেজিং এনভায়রনমেন্টে রিলিজ, যা আপনি নিজেই খুলে দেখতে পারেন
- আপনার লাইভ ডেটার একটি কপিতে আগে থেকে মহড়া দেওয়া ডেটা মাইগ্রেশন
- যাঁরা সিস্টেম ব্যবহার করবেন, তাঁদের জন্য বাংলা ও ইংরেজিতে প্রশিক্ষণ
- সোর্স কোড, ডকুমেন্টেশন ও ইনফ্রাস্ট্রাকচার আপনার নিজের অ্যাকাউন্টে হস্তান্তর
যে টুল দিয়ে কাজ করি
- Laravel
- Node.js
- React
- Next.js
- PostgreSQL
- Redis
- Docker
- AWS
যেসব খাতে এই সার্ভিস
সাধারণ জিজ্ঞাসা
রেডিমেড প্যাকেজ না কিনে কখন কাস্টম সফটওয়্যার বানানো লাভজনক?
যখন প্রক্রিয়াটিই আপনার প্রতিযোগিতার সুবিধা, যখন কোনো প্যাকেজকে মানিয়ে নিতে অনেক পরিবর্তন লাগবে, অথবা যখন প্রতি ইউজারের লাইসেন্স খরচ ব্যবসার চেয়ে দ্রুত বাড়ে — তখন কাস্টম সফটওয়্যার লাভজনক। প্রক্রিয়াটি যদি সাধারণ হয় — যেমন বেতন বা সাধারণ হিসাব — তাহলে প্যাকেজ কেনাই সাধারণত ভালো, এবং আমরা সেটা সরাসরিই বলব।
প্রজেক্ট শেষে কি আমরা BetterSoftZ-এর সাথে আটকে যাব?
না। কোড থাকে আপনার প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব রিপোজিটরিতে, আপনি চাইলে ইনফ্রাস্ট্রাকচার চলে আপনার নিজের ক্লাউড অ্যাকাউন্টে, আর ডকুমেন্টেশন লেখা হয় এমন একজন ইঞ্জিনিয়ারের জন্য যিনি আমাদের কখনো দেখেননি। বেশ কয়েকজন ক্লায়েন্ট আমাদের সাথে থাকেন কাজ ভালো বলে, ছেড়ে যাওয়া ব্যয়বহুল বলে নয়।
আমরা যে অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার ব্যবহার করি, তার সাথে কি যুক্ত করতে পারবেন?
হ্যাঁ। আমরা Tally, QuickBooks, Xero, SAP Business One এবং দেশে তৈরি অ্যাকাউন্টিং সিস্টেমের সাথে ইন্টিগ্রেট করি — তাদের এপিআই দিয়ে, আর যেখানে এপিআই নেই সেখানে নির্ধারিত সময়ে ফাইল আদান-প্রদানের মাধ্যমে। হিসাব মেলানোর নিয়ম ঠিক হয় ডিসকভারিতেই, শেষ মুহূর্তে তাৎক্ষণিকভাবে নয়।
কাজের মাঝপথে যদি আমাদের চাহিদা বদলে যায়?
বদলাবেই, এবং প্রক্রিয়াটি সেটা ধরে নিয়েই সাজানো। প্রতি দুই সপ্তাহের স্প্রিন্ট শেষে পরিসর পর্যালোচনা হয়, কোনো পরিবর্তন গ্রহণের আগে বাকি বাজেটের বিপরীতে তার খরচ জানানো হয়, আর জায়গা করতে কী বাদ যাবে সেটা আপনিই ঠিক করেন। চুপিচুপি কিছুই বদলায় না।
আপনার প্রজেক্ট নিয়ে কথা বলি।
সমস্যাটি সহজ ভাষায় বলুন। কী লাগবে ও আনুমানিক খরচ কত, আমরা জানিয়ে দেব।